Generic medicine
Nigella Sativa [Black Seed Oil]
রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা বাড়াতে, ক্যান্সার প্রতিরােধে এবং এলার্জি চিকিৎসায় কালােজিরা বৈজ্ঞাণিকভাবে প্রমাণিত। শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (LDL, TG) কমাতে এবং উপকারী কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। বাতজনিত সমস্যা সমাধানে সহায়ক। ডায়াবেটিস রােগীদের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। থাইরয়েড হরমােনের মাত্রা কমিয়ে এনে হাইপারথাইরয়েডিজম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। শ্বাসকষ্টের রোগীদের কফ, কাশি কমিয়ে ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
Clinical notes
Applications:
N/A
Indication Notes:
রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা বাড়াতে, ক্যান্সার প্রতিরােধে এবং এলার্জি চিকিৎসায় কালােজিরা বৈজ্ঞাণিকভাবে প্রমাণিত। শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (LDL, TG) কমাতে এবং উপকারী কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। বাতজনিত সমস্যা সমাধানে সহায়ক। ডায়াবেটিস রােগীদের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। থাইরয়েড হরমােনের মাত্রা কমিয়ে এনে হাইপারথাইরয়েডিজম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। শ্বাসকষ্টের রোগীদের কফ, কাশি কমিয়ে ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
Avoid In:
N/A
Contraindication Notes:
৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার সমীচিন নয়।
কালাে জিরা প্রায় ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এমনকি কিং টুটের সমাধি থেকেও এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল। প্রাচীনকাল থেকেই কালাে জিরা মাথা ব্যথা, দাঁত ব্যথা, নাক বন্ধ এবং পেটের ক্রিমি উপশমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে কালাে জিরা পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা, যেমন- গ্যাস্ট্রিক, পেট ব্যথা, ডায়রিয়া, আমাশয়, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং অশ্বরােগেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও এটি হাঁপানি, এলার্জি, ব্রংকাইটিস, এমফিসেমা এবং কনজেশনের মত বিভিন্ন শ্বসনতন্ত্রের সমস্যায় ব্যবহৃত হয়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, চর্বি কমাতে, ক্যান্সার নিরাময়ে এবং রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর ব্যবহার লক্ষণীয়। মহিলারা মাসিকের সমস্যায় এমনকি দুধের পরিমাণ বাড়াতেও কালােজিরা ব্যবহার করে। কালােজিরা কেমােথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতেও সাহায্য করে। অনেকে বাতের ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং ত্বকের নানা সমস্যায় সরাসরি কালােজিরা তেল ব্যবহার করে থাকেন।
স্বল্পমাত্রায় ওষুধ হিসাবে ব্যবহারে কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা না গেলেও, অতিমাত্রায় ব্যবহার কতটুকু নিরাপদ সে বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না।
গর্ভাবস্থায় এর ব্যবহারে কোন নিষেধাজ্ঞা জানা যাযনি। এটি মাতৃদুগ্ধ উৎপাদন এবং নিঃসরণ বৃদ্ধিতেও বহুল ব্যবহৃত।
কালােজিরা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকে ব্যহত করে রক্ত ক্ষরণের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়। তাই এটি ব্লিডিং ডিজঅর্ডারকে আরও বৃদ্ধি করে থাকে। তাছাড়া কালােজিরা অ্যানেস্থেসিয়ার সাথেও সমস্যা সৃষ্টি করে বিধায় এটি যে কোন সার্জারির কমপক্ষে দুই সপ্তাহ আগে থেকে বন্ধ করা উচিৎ।